Toxicity থেকে দূরে থাকার উপায়: মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান ও নিজেকে ভালো রাখার ১১টি নিয়ম

Toxicity থেকে দূরে থাকার উপায়: মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান ও নিজেকে ভালো রাখার ১১টি নিয়ম

 


জীবনটা খুব ছোট — এখানে অযথা ড্রামা, বিষাক্ত মানুষ আর আত্মসন্দেহে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই।
অনেক অভিজ্ঞতার পর আমি শিখেছি কিভাবে নিজের শান্তি রক্ষা করতে হয় এবং সীমানা টানতে হয়।
এই লেখায় বলছি — আমি কীভাবে টক্সিসিটি সামলাই 👇


🧠 ১) নিজের উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ নেব না

যেটা আমার সামর্থ্যের বাইরে, সেটার জন্য আমি স্পষ্টভাবে “না” বলব।
‘না’ বলতে পারা একটা শিল্প, আর এই শিল্প না জানার কারণে জীবনে অনেক কষ্ট পেয়েছি।
অন্যের দায়িত্ব নিজের ঘাড়ে নিয়ে ঘুম আর সময় নষ্ট করা — pure unnecessary stress!


💔 ২) Self-damage কোনো কিছু করব না

আমি কারো জন্য নিজেকে শেষ করে ফেলব না।
সারা দুনিয়া আমার বিপক্ষে গেলেও আমি জানি — আমি সুখী হওয়ার যোগ্য।
আর একা থেকেও শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়।
“যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে” — একদম তাই।


💣 ৩) Toxic মানুষকে চেনা আর দূরে থাকা

অনেকে আমাদের ছেড়ে গেলে, কষ্টটা হয়তো তাদের চলে যাওয়ায় না — বরং তাদের ছেঁচড়ামি আর চরিত্রে
তুমি হয়তো ১০০% effort দিচ্ছো, কিন্তু সে হয়তো অন্য কোথাও ‘second front’ খুলে বসে আছে।
তোমার জন্য সময় নেই, কিন্তু অন্যদের সঙ্গে validation খুঁজে বেড়াচ্ছে।
যখন বুঝবে তুমি আসলে এক জন world-class ছেঁচড়া মানুষ নিয়ে ডিল করছিলে — তখনই move on করা সহজ হয়।
তাদের mindset বোঝার চেষ্টা করে লাভ নেই, কারণ কোনোদিনও তুমি উত্তর পাবে না।
যদি দেখো সম্পর্কের effort একতরফা — ধীরে ধীরে সরে আসো। তারা তোমার সময় বা কষ্টের যোগ্য না।


😴 ৪) খাওয়া-ঘুমে কোনো compromise নয়

জীবনের কঠিন সময়ে মাথা ঠান্ডা রাখা সবচেয়ে জরুরি।
মন না চাইলেও খাওয়া-ঘুম ঠিক রাখলে সিদ্ধান্তগুলো অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত হয়।


🤫 ৫) নিজের কষ্ট সবাইকে বলা ঠিক না

তুমি কষ্টে আছো — এটা জেনে অনেকেই অদ্ভুত এক ধরনের তৃপ্তি পায়।
২ দিন সহানুভূতি দেখাবে, তারপর তোমার অবস্থাটা নিয়ে গল্প করবে বা দুর্বল ভাববে।
সব কথা সবাইকে বলা দরকার নেই।


🧭 ৬) নিজের বুদ্ধি খাটাতে হবে

কারও বয়স বেশি মানে এই নয় যে, তার সব কথা সঠিক।
নিজের বিবেক খাটাও।
ভুল হলেও, যদি নিজের সিদ্ধান্তে করো — আফসোস কম হবে।


৭) রিস্ক না নিলে কিছুই পাওয়া যায় না

বেশিরভাগ বাবা-মা চান না সন্তান কোনো রিস্ক নিক।
কিন্তু জীবনে কিছু অর্জন করতে হলে ঝুঁকি নিতেই হয়।


💡 ৮) মনস্টার হওয়া যাবে না

জীবনে যত অন্যায় বা trauma-ই আসুক না কেন,
যে মানুষ তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, তোমার যেন কখনও তার মতো না হওয়া হয়।
কারণ তুমি মানুষ — পশু না।


💪 ৯) “I am the best!”

এইটা অহংকার না — এটা আত্মবিশ্বাস।
আমি নিজেই আমার সবচেয়ে বড় appreciator, আমার motivator


💖 ১০) আমি নিজেকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি

আমাকে কেউ ভালোবাসবে না আমার মতো করে।
তাই আমি নিজের যত্ন নেব, ভালো দেখাবো, ভালো ভাবব।
আমি যখন ভালো থাকব, তখনই মানুষ আমায় সম্মান দেবে।


🧍‍♂️ ১১) নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি

অফিসে হোক, বন্ধুমহলে হোক বা সমাজে —
মাঝে মাঝে নিজের জায়গাটা জানান দিতে হয়।
না হলে মানুষ আপনাকে granted ধরে নেয়।
আর যদি এতে সম্পর্ক খারাপ হয় — হতে দাও।
কারণ self-respect সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


☘️ শেষ কথা

শান্তি অন্য কেউ এনে দেয় না, নিজের ভেতরেই গড়ে তুলতে হয়।
সীমানা টানো, নিজের এনার্জি রক্ষা করো, নিজেকে ভালোবাসো।
কারণ তোমার জীবনে তোমার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কেউ নেই।

Read More....

💼 বড় ব্যবসায়ী হতে চাইলে ব্রেইনের ওজন কমান — সফল উদ্যোক্তাদের আসল রহস্য

৩০টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনবোধ: ছোট শুরুই বড় সাফল্যের পথে প্রথম পদক্ষেপ 

Post a Comment

0 Comments